বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এম সালাহউদ্দিনের তড়িৎ পদক্ষেপে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকনের তত্বাবধানে স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাস হতে সরাসরি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রদান কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এতে স্পেন প্রবাসীরা ভীষণ খুশি।
এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সমন্বয়ে, বাংলাদেশের পুলিশ প্রধানের তরফে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ এর একটি টীম স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাস হতে সেবা প্রত্যাশীদের দ্রুত ও কার্যকরী সেবা নিশ্চিত করতে মাদ্রিদে অবস্থান করছেন।
স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানে গতকাল দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মাসউদুর রহমান তার বক্তব্যে বলেছেন, “সেবা গ্রহনের উপযুক্ত সর্বশেষ সেবা প্রার্থীটিকেও এই সেবা পৌঁছে দিতে দূতাবাসের চেষ্টা অব্যহত থাকবে। তিনি বলেন, সরকারের প্রবাসী বান্ধব অন্যান্য উদ্যোগের মধ্যে এটি অন্যতম অগ্রাধিকার উদ্যোগ। যার সুফল স্পেন প্রবাসীরা পাচ্ছেন।”
স্পেন বিএনপি সভাপতি জামাল উদ্দিন মনির জানিয়েছেন, স্পেন প্রবাসীদের বাস্তব সমস্যা সমাধানে প্রবাসী বান্ধব বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও পার্টি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ বাস্তবায়নে স্পেন বিএনপির প্রত্যেক নেতাকর্মী, সাধারন প্রবাসীদের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকনের তত্বাবধানে স্পেন বিএনপির এই সেবা কার্যক্রম শেষ পর্যন্ত অব্যহত থাকবে।
তিনি আরও জানান বি এন পি সব সময় রেমিট্যান্স যোদ্ধাদেরকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় দূতাবাস থেকে সরাসরি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সরবরাহের এই উদ্যোগ বিশ্বে নজিরবিহীন।
উল্লেখ্য, স্পেনের পেদ্রো সানচেজ সরকার সম্প্রতি যে ম্যাসিভ রেগুলারিজাছিওন অফার ঘোষনা করেছে তার আওতায় স্পেনে বসবাসরত প্রায় বিশ হাজার অনিয়মিত (অবৈধ) প্রবাসী বাংলাদেশী নিয়মিত (বৈধ) হতে চলেছেন।
নিয়মিত করন প্রক্রিয়ায় ডিসেম্বর ২০২৫ এর ৩১ তারিখ থেকে যে সব প্রবাসী কমপক্ষে ৫ মাস স্পেনে প্রমানিত ভাবে বসবাস করে আসছেন তাদেরকেই এই সুযোগটি প্রদান করছেন স্পেন সরকার। ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত এই সুযোগের সীমা নির্ধারন করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন PSOE সরকার।
সংস্লিষ্ট মহলের তরফ হতে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট হিসেবে একজন স্পেন প্রবাসীকে এই সুযোগ গ্রহন করতে হলে ৫ মাস স্পেনে বসবাসের বিশ্বাসযোগ্য নথি, ভ্যালিড পাসপোর্ট ও নিজ দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট অপরিহার্য। নবায়নকৃত পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে এই নজিরবিহীন উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার।