ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক হৃদয়ে বাংলাদেশ

দীর্ঘ অপেক্ষার পর নির্মাতা মিজানুর রহমান মিজানের নির্মাণ ও পারভেজ আবিরের অভিনীত সিনেমাটি পাচ্ছে নতুন দর্শকের ভালোবাসা

“সময় পেরিয়েও দর্শকের মনে ‘রাগী’, ইউটিউবে ৯৬ লাখ ভিউ, নতুন করে আলোচনায় মিজান-আবির”



“সময় পেরিয়েও দর্শকের মনে ‘রাগী’, ইউটিউবে ৯৬ লাখ ভিউ, নতুন করে আলোচনায় মিজান-আবির”
বা থেকে নির্মাতা মিজানুর রহমান মিজান, রাগি চলচ্চিত্রের পোস্টার,চলচ্চিত্রটির হিরো,পারভেজ আবির।

একটি চলচ্চিত্রের মুক্তির সময় হয়তো নির্দিষ্ট, কিন্তু দর্শকের মনে তার জায়গা করে নেওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। কখনো একটি সিনেমা মুক্তির পরপরই আলোচনায় আসে, আবার কখনো সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর নতুন কোনো মাধ্যমে নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছে তৈরি করে আলাদা সাড়া। মিজানুর রহমান মিজান পরিচালিত ‘রাগী’ যেন সেই দ্বিতীয় গল্পেরই এক ব্যতিক্রমী অধ্যায়।

চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন পারভেজ আবির। আর নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা মিজানুর রহমান মিজান। প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও আধুনিক নির্মাণ ভাবনার সমন্বয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তোলার পথে এগিয়ে চলেছেন তিনি।

২০১৬ সালে শুরু হয়েছিল ‘রাগী’র শুটিং। এরপর নানা প্রতিকূলতা ও জটিলতা পেরিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। একটি সিনেমার জন্য এত দীর্ঘ পথ সহজ নয়। কিন্তু ‘রাগী’র গল্প সেখানেই শেষ হয়নি।

প্রেক্ষাগৃহের পর এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নতুন করে দর্শকের কাছে পৌঁছেছে সিনেমাটি। এসবি মুভিসের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের প্রায় চার মাসের মধ্যেই ‘রাগী’র ভিউ ছুঁয়েছে ৯৬ লাখ। বর্তমানে সংখ্যাটি ৯.৬ মিলিয়নেরও বেশি।

এই ভিউয়ের পেছনে শুধু একটি সংখ্যার গল্প নেই; আছে দীর্ঘ সময় পর একটি চলচ্চিত্রের নতুন দর্শক খুঁজে পাওয়ার গল্প। যে সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল প্রায় এক দশক আগে, সেটিই আজকের ডিজিটাল দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রে জায়গা করে নিচ্ছে—বিষয়টি নির্মাতা মিজানুর রহমান মিজান ও অভিনেতা পারভেজ আবির দুজনের জন্যই বিশেষ তাৎপর্যের।

‘রাগী’র মধ্য দিয়ে পারভেজ আবিরও পেয়েছেন দর্শকের কাছে নিজের অভিনয়কে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ। প্রেক্ষাগৃহের পর্দায় দেখা সেই অভিনয় এবার পৌঁছে যাচ্ছে আরও বিস্তৃত দর্শকসমাজের কাছে। ডিজিটাল মাধ্যমের এই বিস্তৃত পরিসর তাকে নতুন প্রজন্মের দর্শকের সঙ্গেও যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।

অন্যদিকে মিজানুর রহমান মিজানের জন্য ‘রাগী’র বর্তমান সাড়া দীর্ঘ নির্মাণযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি। তরুণ এই নির্মাতা প্রযুক্তিগত দক্ষতা, পরিকল্পনা ও নিজস্ব নির্মাণভাবনার সমন্বয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে নিজের অবস্থান তৈরি করে চলেছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার নির্মিত একটি চলচ্চিত্র যখন নতুন করে দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে, তখন সেটি তার নির্মাণযাত্রায় নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক অধ্যায়।

বর্তমান সময়ে একটি চলচ্চিত্রের জীবন শুধু প্রেক্ষাগৃহের কয়েক সপ্তাহে সীমাবদ্ধ থাকে না। ইউটিউবসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পুরোনো সিনেমাকেও নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। ফলে মুক্তির সময় যারা কোনো কারণে সিনেমাটি দেখতে পারেননি, তারাও পরবর্তী সময়ে ঘরে বসেই ছবিটির সঙ্গে পরিচিত হতে পারছেন।

‘রাগী’র ক্ষেত্রেও সেই পরিবর্তনের প্রতিফলন স্পষ্ট। মুক্তির দীর্ঘ সময় পরেও দর্শক সিনেমাটি দেখছেন এবং ভিউয়ের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে প্রেক্ষাগৃহের পর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এসে সিনেমাটি যেন নতুন করে নিজের দর্শক খুঁজে পেয়েছে।

দর্শকের এই ভালোবাসায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নির্মাতা মিজানুর রহমান মিজান বলেন, “এত বছর পরও একটি সিনেমার প্রতি দর্শকদের এমন ভালোবাসা সত্যিই আনন্দের। দর্শকদের এই ভালোবাসা ‘রাগী’র পুরো টিমকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে। সিনেমাটির সঙ্গে থাকা এবং ভালোবাসা দেওয়ার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।”

সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউবে প্রকাশিত কয়েকটি সিনেমার ভিউয়ের সঙ্গে তুলনা করলে ‘রাগী’র বর্তমান সংখ্যাটিও নজরকাড়া। বাপ্পী চৌধুরী ও জাহারা মিতু অভিনীত ‘শত্রু’ ছয় মাসে ৪০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে। জিয়াউল রোশান ও শবনম বুবলী অভিনীত ‘সর্দার বাড়ির খেলা’ এক মাসে ২৭ লাখের বেশি এবং শাকিব খান ও দর্শনা বণিক অভিনীত ‘অন্তরাত্মা’ এক মাসে ২৪ লাখের বেশি ভিউ অতিক্রম করেছে।

তবে ভিউয়ের এই তুলনা সরাসরি সাফল্যের মাপকাঠি নয়। প্রতিটি সিনেমার মুক্তির সময়, প্রচারণা, তারকা, গল্প ও দর্শকপ্রবাহ আলাদা। ‘রাগী’র ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গিয়েও সিনেমাটি নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারছে এবং দর্শক আগ্রহের সেই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ভিউয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধিতে।

একজন নির্মাতার স্বপ্ন, একজন অভিনেতার অভিনয় এবং একটি পুরো টিমের দীর্ঘ অপেক্ষা যখন সময়ের ব্যবধান পেরিয়ে নতুন দর্শকের কাছে ফিরে আসে, তখন একটি ভিউসংখ্যা কেবল পরিসংখ্যান থাকে না। তার সঙ্গে যুক্ত হয় অপেক্ষা, পরিশ্রম, স্বপ্ন এবং দর্শকের ভালোবাসার গল্প।

মিজানুর রহমান মিজানের নির্মাণ ও পারভেজ আবিরের অভিনয়ে তৈরি ‘রাগী’ এখন যেন সেই গল্পই বলছে—সব সিনেমার সাফল্য একই সময়ে আসে না। কোনো কোনো চলচ্চিত্রকে তার দর্শকের কাছে পৌঁছাতে একটু বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়।

আর সেই অপেক্ষার পর যখন দর্শক ফিরে আসে, তখন সেই ভালোবাসাই হয়ে ওঠে নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও পুরো চলচ্চিত্র দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

বিষয় : বিনোদন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র মিডিয়া ও ডিজিটাল

দৈনিক হৃদয়ে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


“সময় পেরিয়েও দর্শকের মনে ‘রাগী’, ইউটিউবে ৯৬ লাখ ভিউ, নতুন করে আলোচনায় মিজান-আবির”

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

একটি চলচ্চিত্রের মুক্তির সময় হয়তো নির্দিষ্ট, কিন্তু দর্শকের মনে তার জায়গা করে নেওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। কখনো একটি সিনেমা মুক্তির পরপরই আলোচনায় আসে, আবার কখনো সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর নতুন কোনো মাধ্যমে নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছে তৈরি করে আলাদা সাড়া। মিজানুর রহমান মিজান পরিচালিত ‘রাগী’ যেন সেই দ্বিতীয় গল্পেরই এক ব্যতিক্রমী অধ্যায়।

চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন পারভেজ আবির। আর নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা মিজানুর রহমান মিজান। প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও আধুনিক নির্মাণ ভাবনার সমন্বয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তোলার পথে এগিয়ে চলেছেন তিনি।

২০১৬ সালে শুরু হয়েছিল ‘রাগী’র শুটিং। এরপর নানা প্রতিকূলতা ও জটিলতা পেরিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। একটি সিনেমার জন্য এত দীর্ঘ পথ সহজ নয়। কিন্তু ‘রাগী’র গল্প সেখানেই শেষ হয়নি।

প্রেক্ষাগৃহের পর এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নতুন করে দর্শকের কাছে পৌঁছেছে সিনেমাটি। এসবি মুভিসের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের প্রায় চার মাসের মধ্যেই ‘রাগী’র ভিউ ছুঁয়েছে ৯৬ লাখ। বর্তমানে সংখ্যাটি ৯.৬ মিলিয়নেরও বেশি।

এই ভিউয়ের পেছনে শুধু একটি সংখ্যার গল্প নেই; আছে দীর্ঘ সময় পর একটি চলচ্চিত্রের নতুন দর্শক খুঁজে পাওয়ার গল্প। যে সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল প্রায় এক দশক আগে, সেটিই আজকের ডিজিটাল দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রে জায়গা করে নিচ্ছে—বিষয়টি নির্মাতা মিজানুর রহমান মিজান ও অভিনেতা পারভেজ আবির দুজনের জন্যই বিশেষ তাৎপর্যের।

‘রাগী’র মধ্য দিয়ে পারভেজ আবিরও পেয়েছেন দর্শকের কাছে নিজের অভিনয়কে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ। প্রেক্ষাগৃহের পর্দায় দেখা সেই অভিনয় এবার পৌঁছে যাচ্ছে আরও বিস্তৃত দর্শকসমাজের কাছে। ডিজিটাল মাধ্যমের এই বিস্তৃত পরিসর তাকে নতুন প্রজন্মের দর্শকের সঙ্গেও যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।

অন্যদিকে মিজানুর রহমান মিজানের জন্য ‘রাগী’র বর্তমান সাড়া দীর্ঘ নির্মাণযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি। তরুণ এই নির্মাতা প্রযুক্তিগত দক্ষতা, পরিকল্পনা ও নিজস্ব নির্মাণভাবনার সমন্বয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে নিজের অবস্থান তৈরি করে চলেছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার নির্মিত একটি চলচ্চিত্র যখন নতুন করে দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে, তখন সেটি তার নির্মাণযাত্রায় নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক অধ্যায়।

বর্তমান সময়ে একটি চলচ্চিত্রের জীবন শুধু প্রেক্ষাগৃহের কয়েক সপ্তাহে সীমাবদ্ধ থাকে না। ইউটিউবসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পুরোনো সিনেমাকেও নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। ফলে মুক্তির সময় যারা কোনো কারণে সিনেমাটি দেখতে পারেননি, তারাও পরবর্তী সময়ে ঘরে বসেই ছবিটির সঙ্গে পরিচিত হতে পারছেন।

‘রাগী’র ক্ষেত্রেও সেই পরিবর্তনের প্রতিফলন স্পষ্ট। মুক্তির দীর্ঘ সময় পরেও দর্শক সিনেমাটি দেখছেন এবং ভিউয়ের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে প্রেক্ষাগৃহের পর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এসে সিনেমাটি যেন নতুন করে নিজের দর্শক খুঁজে পেয়েছে।

দর্শকের এই ভালোবাসায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নির্মাতা মিজানুর রহমান মিজান বলেন, “এত বছর পরও একটি সিনেমার প্রতি দর্শকদের এমন ভালোবাসা সত্যিই আনন্দের। দর্শকদের এই ভালোবাসা ‘রাগী’র পুরো টিমকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে। সিনেমাটির সঙ্গে থাকা এবং ভালোবাসা দেওয়ার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।”

সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউবে প্রকাশিত কয়েকটি সিনেমার ভিউয়ের সঙ্গে তুলনা করলে ‘রাগী’র বর্তমান সংখ্যাটিও নজরকাড়া। বাপ্পী চৌধুরী ও জাহারা মিতু অভিনীত ‘শত্রু’ ছয় মাসে ৪০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে। জিয়াউল রোশান ও শবনম বুবলী অভিনীত ‘সর্দার বাড়ির খেলা’ এক মাসে ২৭ লাখের বেশি এবং শাকিব খান ও দর্শনা বণিক অভিনীত ‘অন্তরাত্মা’ এক মাসে ২৪ লাখের বেশি ভিউ অতিক্রম করেছে।

তবে ভিউয়ের এই তুলনা সরাসরি সাফল্যের মাপকাঠি নয়। প্রতিটি সিনেমার মুক্তির সময়, প্রচারণা, তারকা, গল্প ও দর্শকপ্রবাহ আলাদা। ‘রাগী’র ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গিয়েও সিনেমাটি নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারছে এবং দর্শক আগ্রহের সেই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ভিউয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধিতে।

একজন নির্মাতার স্বপ্ন, একজন অভিনেতার অভিনয় এবং একটি পুরো টিমের দীর্ঘ অপেক্ষা যখন সময়ের ব্যবধান পেরিয়ে নতুন দর্শকের কাছে ফিরে আসে, তখন একটি ভিউসংখ্যা কেবল পরিসংখ্যান থাকে না। তার সঙ্গে যুক্ত হয় অপেক্ষা, পরিশ্রম, স্বপ্ন এবং দর্শকের ভালোবাসার গল্প।

মিজানুর রহমান মিজানের নির্মাণ ও পারভেজ আবিরের অভিনয়ে তৈরি ‘রাগী’ এখন যেন সেই গল্পই বলছে—সব সিনেমার সাফল্য একই সময়ে আসে না। কোনো কোনো চলচ্চিত্রকে তার দর্শকের কাছে পৌঁছাতে একটু বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়।

আর সেই অপেক্ষার পর যখন দর্শক ফিরে আসে, তখন সেই ভালোবাসাই হয়ে ওঠে নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও পুরো চলচ্চিত্র দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।


দৈনিক হৃদয়ে বাংলাদেশ

প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক: হৃদয় খান বাদশাহ্
বার্তা সম্পাদক : এম.ডি রায়হান
এই সাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। Crafted with ❤️ by The Daily Hridoye Bangladesh 2026
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক হৃদয়ে বাংলাদেশ
“সময় পেরিয়েও দর্শকের মনে ‘রাগী’, ইউটিউবে ৯৬ লাখ ভিউ, নতুন করে আলোচনায় মিজান-আবির”
0:00 0:00
1.0x
সর্বশেষ